Snow and Obsidian - Make Fire. - Reviews

Snow and Obsidian - Make Fire.
+Add to Custom List
Sort
Add review
... Read More
বন্ধুরা আজ আমরা একটি বাস্তবতার গল্প শুনবো গল্পটির নাম হচ্ছে ভালোবাসার উপমা। উপমা এই গল্পের একটি চরিত্র যে কিনা ভালোবাসাটা কি এটি বুঝবার কখনো আগ্রহ প্রকাশ করত না। গল্পটা শুরু হয় এক বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়ে আর শেষ হয় কিছু রয়ে যায় স্মৃতি গুচ্ছ দিয়ে একটি মেয়ে ছিল মেয়েটি দেখতে খুব সুন্দর ছিল মোটামুটি চিকন চাকন একটু মাঝারি টাইপের হবে মেয়েটির নাম ছিল উপমা। উপমা নামটা শুরু হয় এক অন্য জায়গা থেকে। একটি মাত্র মেয়ে উপমা তার জীবনের ইচ্ছে গুলো ছিল বড়ই বিড়াল এবং এটি প্রকৃত মন ভাবাপন্ন ছিল উপমা একটি ছোট ভাই ছিল একটু দুষ্টু প্রকৃতির ছিল সারাদিন দুষ্টুমিতে খুনসুটিতে মেতে থাকতো তবে দুষ্টু হলেও তার বোন উপমা তার ভাইকে অনেক ভালবাসত মাঝে মাঝে উপমা তার ছোট ভাই এর দুষ্ট কারবারের জন্য রাগ করত আর রেগে গিয়েই ছোট বোন ভাইকে একটু বকা দিত। ছোট থেকে উপমা একটু রাগী প্রকৃতির ছিল বটে। তবে রাগ গুলো বহিপ্রকাশ করা সম্ভব হতো খুব আস্তে আস্তে।  এই রাগারাগির মাঝেই দুই ভাই বোনের ভালোবাসা গুলো চলছিল অবিরাম। আমরা সবাই গল্পের আরো একটু সামনে এগোই শততম বারের মত উপমা গল্পের দ্বিতীয় বিশাল একটা মেসেজ দিয়ে ব্যাকস্পেস চেপে ধরে দিপু নেশালাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। উপমা নামের পাশে সবুজ বৃত্ত টার দিকে উধাও  হয়ে যায় কিছুক্ষণের মাঝেই এটি দেখে নেশা কাটে না দিপুর। অনলাইন এর পড়ে থাকার  সময় দিপু  উপমার কথা ভেবে দিপু নেশা টা বড্ড যন্ত্রণা দিচ্ছে আজকাল সামান্য একটা চোখে দেখা থেকে যে দিপু একটা মেয়ের  উপরে এত বড় একটা নেশা কল্পনাও করেনি দিপু কখনও।  কিছুক্ষণ ওইভাবে একটি খালি চেয়ারে বসে থাকা দিপু খোলা জানালার দিকে  সে  তাকিয়ে মেয়েটির কথা ভাবে বার বার। কিছুক্ষণ ওইভাবে একটি খালি চেয়ারে বসে থাকে দিপু খোলা জানালা দিয়ে সে মেয়েটির কথা ভাবেতে ভাবতে  তারপর দিপু জরের সাথে ল্যাপটপ টা অফ করে উঠে আসার পর হুট করে সে চলে যায় তার বাড়ির বারান্দার আঙিনার গায়ে একটা সাদা চাদর জড়িয়ে বাইরে এসে দাঁড়াই দিপু। বাইরে ভীষণ শীত পড়েছে ইট কাঠ পাথরের এই শহরে। এই স্বভাবজাত বিষন্নটা আজকাল স্পর্শ করে না দিপুকে কবিতা লেখার জন্য শীতের বিষণ্নতা টা একসময় খুব পছন্দের সাবজেক্ট ছিল দিপুর। লিখতে লিখতে ভীষণ পছন্দ করা ছেলেটার মাথায় এখন ফাঁকা হয়ে থাকে একদম ল্যাপটপ অফ করে জোরের সাথে বন্ধ করে একাকী সময় বারান্দায় দাঁড়ানো দৈনন্দিন রুটিন গুলো যেন পরিবর্তন হয় না তার অনেকদিন ধরেই। অথচ আগে দিপুর দৈনন্দিন জীবনের রুটিন গুলো পড়ে অন্যরকম ছিল এখন উড়ন্ত ভীষণ তীব্র রুটিন গুলো হঠাৎ কেন জানি একটি মেয়ের কথা ভেবে উলটপালট হতে লাগল আস্তে আস্তে। কিন্তু দিপুর দেখা সেই প্রথমে এটি মেয়ে  যার নাম ছিল উপমা। তার  কথা ভেবেই এমন দৈনন্দিন জীবন শুরু হয়েছে যে দিপু মেয়েটি ছাড়া কিছুই ভাবতে পারছে না কিন্তু উপমা মেয়েটি কি জানতো দিপু উপমার প্রতি কতটা ভালবাসার আবেগ প্রবণতায় পড়ে রয়েছে। হয়তো জানতো না বন্ধুরা এটি জানবার জন্য গল্পের একটু সামনের দিকে যাওয়া যাক দিপুর আর উপমার পরিচয় এর শুরুটা মোটেও অস্বাভাবিক কিছু ছিল না খুব একটা। বন্ধুরা তোমরা সবাই এই গল্পের মূল চরিত্রের উপমার ব্যাপারে কিছু জানলে এই গল্পের দ্বিতীয় চরিত্র ছিল দিপু আচ্ছা এবার দিপুর ব্যাপারে কিছু বলি তোমাদেরকে। খুব সাধারণ প্রকৃতির একজন ছেলে   ছিলো দিপু । মা বাবার একমাত্র ছেলে দিপু  ছোট থেকে সাধারণভাবে বড় হয় কিন্তু বড় হবার মাঝে তার জীবনের অনেক বড় স্বপ্ন থাকে ছোট থেকেই দিপু একটু শান্ত স্বভাবের ছিল দিপু পড়ালেখার পাশাপাশি গান করত ছোট থেকে গল্প কবিতা লেখতো দিপুর পরিবারের ভালোবাসার মানুষ তার মা-বাবা ছিল। কিন্তু ভাগ্যক্রমে দিপুর বাবা গত হবার পর ভালোবাসার মানুষটি তার মা ই ছিল। দিপুকে ভালো রাখতে তার মা সব আবদার মেনে নিত পূরণ করবার চেষ্টা করত এই নিয়ে পরিবারের একটি ছেলে দিপু অনেক আনন্দে থাক তো  সব সময়। একটু রাগী ও বদমেজাজি টাইপের ছিল দিপু।রাগি  হলেও বন্ধুর মত সবাইকে ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিত সে। কিন্তু হঠাৎ  দিপুর জীবনে অনেক খারাপ সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায় এটা আস্তে আস্তে উপলব্ধি করতে পারে কিছু ভিতরে জমে থাকা কষ্টগুলো বুঝবার মত কেউ ছিল না বলেলই চলে কিন্তু বুঝবার মত মানুষ তার মা ই ছিল। দিপু নিজেকে বুঝবার জন্য একগুচ্ছ মিথ্যে চাপা হাসিময় দুঃখ ভোলার জন্য একদিন অনলাইনের কথা মাথায় আসলো অনেক আগে থেকেই তার ফেসবুক আইডি খোলা ছিল কিন্তু সে ফেসবুক আইডিতে পরিচিত কিছু বন্ধু ছাড়া অন্য কারো সাথে বেশি কথা বলত না বাকি বন্ধুদের সাথে খুব কম সময়ে কথা বলত মাত্র। দিপু একটা সময় ফেসবুকে কিছু নতুন ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাতে লাগল এবং নতুন বন্ধু খুঁজতে লাগল এরপর বন্ধুরা এখানে কিন্তু দিপুর প্রথম ফেসবুকের মাধ্যমে গল্পের উপমা সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে। অনেকদিন কেটে গেল দিপুর যতটা ফেসবুক অনলাইন এর উপরে থাকত  তার মন এর নতুন নতুন কৌতূহলের সৃষ্টি হতো। সময় যখন যায় দিপু মাথায় নতুন কৌতূহলের প্রকাশ পায় আর কৌতুহলী হয়ে পড়ে উপমার প্রতি ভালবাসাটা সহজে না বুঝবার জন্য। দিপু ছেলেটা ভালোবাসা বোঝার অনেক চেষ্টা করে তবে কোনভাবেই পারে না প্রকৃত সত্য ভালোবাসা খুজে পেতে ভালোবাসাটা বুঝবার জন্য ফেসবুকে কিছু ভালো বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়  আগে খুব লেখালেখি আর গানের জগতে পড়ে থাকার জন্য প্রকৃত ভালোবাসা কিনারা খুব সহজে বুঝে উঠতে পারত না সে। সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ ভালো সময় কাটতো দিপুর। এমন করতে করতে হঠাৎ দিপু উপমান নামক একটি মেয়ের খুঁজে পেল ফেসবুকে এ। দিপু ফেসবুকে দেখে তাকে রিকোয়েস্ট দিলো বন্ধুত্বের মেয়েটি তার বন্ধুত্বের রিকুয়েস্ট গ্রহন করল এই ভাবে তাদের মধ্যে কথোপকথন হতে থাকলো দুই জন দুই জনের ভিতর। ফেসবুক এই দিপু উপমাকে প্রথম খুঁজে পেল যখন উপমা সাথে কথা বলতো দিপু উপমার নিকট এ যেত এতে করে একটা সময় এর ব্যবধান এ সাথে ভালো বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হতে থাকলো। একটা সময় দিপু ভালো থাকার আসস্থ দিতে থাকলো উপমাকে একটু একটু বুঝতে না দিয়ে সে নিকটে আসতে থাকে এভাবে চলতে থাকে দিপু উপমা ভালো বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসার একটি অংশ। একদিন দিপু ও উপমার সাথে খুব আনন্দ করে কোন এক আনন্দিত বিষয় নিয়ে কথা বলছিল দিপু উপমাকে একটি প্রশ্ন করল দিপু বলল আচ্ছা তুমি আমায় কতটুকু বিশ্বাস করো উপমা? উপমা দিপু কে বলল দিপু তুমি হঠাৎ এমন প্রশ্ন করছ কেন আজ!!! দিপু বলল বলোই না তুমি আমাকে কতটুকু বিশ্বাস করো। একটু নিস্তব্ধ মনে মেয়েটি বলল হ্যাঁ আমি তোমায় বিশ্বাস করি তবে ওই ভাবে নয়। কিছুটা বিশ্বাস আছে তোমার প্রতি আমার বাবা মার চাইতে আমি বেশি মানুষকে বিশ্বাস করতে পারিনা।  এই বলে উপমা চলে যায় সেই দিন উপমার এমন উত্তর পাবে আশা করেনি সে। তবে দিপু সেদিনের পর থেকে একটু খারাপ ছিল উপমান এমন উত্তর   দিপুকে  খুব ভাবিয়ে তুলেছিলো নিজের কাছে ভলোবাসা না পাবার   এমন উত্তর ভেবে। ভালোবাসার মানুষের কাছে থেকে এমন উত্তর পাবে এটা কখনো আশা করেনি দিপু সেই দ্বিপ্রহর এর পর থেকে দিপুর দিনগুলো কেটে যায়  নিস্পৃহভাবে। ভীষণ কড়া নজর এর ভাবনা-চিন্তায় উপমা সেই নামটা যে দিপুর বুকের বা পাশে কখন যে গেথে  গেছে তা নিজেও জানত না শুধু অনুভব আর আস্তে আস্তে অনুভূতির জন্ম দিত মনের মাঝ খানের বুকের বা পাশে। বাড়ির এক বন্দি খাঁচায় দিপু বন্দি হয়ে আছে বাইরে যেতে পারছে না মা বাবার চোখ গুলো কে ফাঁকি দিয়ে। এর মধ্যে দিপুর মনে উপমাকে  দেখার  জন্য  একটা আকুলতা জাগে কিন্তু দিপু যে আজ বাড়িতে বন্দি বদ্ধ রুমের ভেতরে সারাদিন উপমা  কে  ভাবা তার সাথে কথপোকথন করার ইচ্ছা টা জাগতে থাকে প্রবলভাবে ।উপাই হিন হয়ে  দিপু সে দিন বাড়িতে বসে বসে কাটাতে হয় এদিকে উপমার  সাথে দিপুর কোনদিন দেখা হতো না খুব একটা। উপমা  দিপুকে একবার দেখে ছিল কোন এক অজানা আর মাঝখানে প্রথম দেখাতেই ছবি ঘরে ছবিটার দিকে বারবার চেয়ে এই ভেবে তাদের কখন ও দেখা হবে উপমা সব দিক থেকে পারদর্শী ছিল। সে পারদর্শী হলেও অভিমানী আর রাগী টাইপের ছিল মাঝে মাঝে একটু রাগ করত কিন্তু রাগ বুঝতে পেরেই দিপু তার রাগ ভাঙ্গানোর ব্যস্ত হয়ে পড়ত দিপু যখন দেখত উপমা কোন কথায় নারাজি প্রকাশ পাচ্ছে তখন দিপু উপমার জন্য ফুল বাগানের সুন্দর কিছু ফুল কিনে নিয়ে এসে ওর  হাতে দিত। সাথে দুটো সুন্দর চকলেট দিয়ে বলতো এই যে উপমা নাও ধরো এইবার খাও রাগ করো না তাতে তার রাগ না ভাঙলে দিপু নিজ হাতে  আদর করে উপমার খাইয়ে দিত। উপমা সেই হাস্যজ্জল চেহারা দেখে দিপু আনন্দে অশ্রু ঝরতে থাকে উপমা ফুল খুব ভালোবাসতো সে তার বাড়ির ছাদে অনেক রকমের ফুল লাগাতো ফুল বাগানের প্রত্যেকটি ফুল তাকে ভালোলাগার আভাদিত তার  হাতে লাগানো ফুল বাগানের ফুলগুলো বড় হলে কলি ফুটলে সে ফুলের একটি করে ছবি দিপুর মেসেজে দিতো দিয়ে বলতো দেখ দিপু আমার ফুল বাগানের সেই ফুল গুলো আজ বড় হয়েছে। এই কথাটি শুনে দিপু আনন্দ দেখে কে উপহার দিকে তাকিয়ে একগুচ্ছ হাসিতে নিজেকে আটকাতে পারে না দিপু এক বিন্দু হাসির মাঝে রয়ে যায় তাদের ভালোবাসা সেই প্রথম ভালো লাগা চোখে ধীরে ধীরে নেশার মতো হয়ে গেছে দিপু। তীব্র শীতের এক বিকেলের নাম না জানা কোন নদীর ধার দিয়ে তার হাত ধরে হেটেছে   এরকম একটা স্বপ্ন উপ মাকে নিয়ে প্রায় দেখতেও দিপু প্রায় বাস্তব স্বপ্নের সুখ সুখ ভাবটার জন্য দ্বিতীয় বার উপমা কে দেখার পর দিপু অনেকগুলো দিন পার হয়ে যায়। এর মাঝে কিছু অবসর দিনে দিপু তার খুব কাছের একটি বন্ধুকে উপমার ছবি মোবাইলের গ্যালারি থেকে বের করে দেখে বলেছিল বন্ধু দেখতো মেয়েটির দেখতে অনেক সুন্দর না দিপুর বন্ধুর দিকে তাকিয়ে বলল হ্যাঁ বন্ধু মেয়েটির দেখতে অনেক সুন্দর আর মায়াবী মেয়েটির নাম কিরে? দিপু একটু মুচকি হেসে বলল তার বন্ধুর দিকে তাকিয়ে মেয়েটির নাম হচ্ছে উপমা এটাই হলো আমার দেখা সেই মেয়েটি বন্ধু যাকে আমি প্রকৃত ভালবাসার মানুষ হিসেবে খুজেছি এতদিন। দিপুর বন্ধু দিপুকে আবার বলল আচ্ছা বন্ধু তুই কি মেয়েটার প্রেমে পড়েছিস নাকি? আমি কথা বলছি তোর মুখে আজ আনন্দের ছাপ দিচ্ছি আগে তো কখনোই এটি দেখিনি। দিপু বলল ছোট স্বরে নানা পাগল হলি নাকি বন্ধু আমি কেন কোনো মেয়ের প্রেমে পড়তে যাব রে এখানে গল্পের দিপু তার বন্ধুকে মুখের কথায় ফাঁকি দিলেও তার বন্ধু তাকে সব সময় বুঝে নায় যে আসলেই দিপু মেয়েটির প্রেমে পড়েছিল।  এখানে গল্পের দিব তার বন্ধুকে চোখ ফাঁকি দিলেও তার বন্ধু এক নিমিষে বুঝে গিয়েছিল তার এর মধ্য ব্যাপার গুলো মুখে বললেও মন থেকে উপমার প্রতি দিপুর ভালোবাসা টা একটু বেশি ছিল কিন্তু এটি তা সবার মাঝে বহি প্রকাশ হচ্ছে না। যা গল্পের দিব চরিত্রের ছেলেটি নিজেও বুঝতে পারছে না সে কি প্রেমে পড়েছে না আবে কোন সময়ে চলছে দিপু তার বন্ধুকে ভালোবাসার কথাটা না বলল তার বন্ধু তার প্রেমে পড়ার কথাটা ঠিকই বুঝতে পারে একটা সময় এর মাঝে দিপু তার কথাগুলো বুঝতে না দিয়ে না বুঝার ভান করে এত দৃঢ়তার সাথে নিজেকেই ফাঁকি দিয়ে চলে যায় সে । কিছু  সময় আসতে থাকে বুকের বা পাশে বসে থাকা নামটা অনেকবার হারিয়েছিল ধীরে ধীরে দিপুকে। কিন্তু পাত্তা না দেওয়া উপমা  কখনোই বুঝতে চাইত না সে উপমাকে বোঝার চেষ্টা করত একজন ভালো বন্ধু থেকে ভালবাসার মানুষ হবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যেত উপমা তার জীবনের দিপুকে তার খুব ভালো বন্ধু মনে মত ভাব তো। কিন্তু দিপু এই ভালো বন্ধুত্বের মাঝে মনের অজান্তেই একটু একটু করে উমাকে ভালবেসে ফেলে উপমা তার ভালোবাসার পুরোটা উপলব্ধি করতে না পারলেও একটু একটু করে উপলব্ধি করতো। হঠাৎ একটা সময় দিপু উপমা তার মনের ভালোবাসার কথাটি বলে ফেলে দিপু উপমা কে বলে উপমা আজ তোমাকে একটা কথা বলব কথাটি কি  তুমি শুনবে। উপমা একটু ভাবতে থাকে তার মনে কিছু প্রশ্নের উত্তর মনের অজান্তেই চলে আসে। কিছুক্ষণ পর উপমা দিপু কে বলে তুমি আজ আমাকে কি বলতে চাও? দিপু সেই হাসিময় মুখ তখন দেখবার মতো ছিল। হাস্যোজ্জ্বল মুখে দিপু উমাকে বলতে লাগল উপমা আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি আজ এই বেলায় তুমি কি আমার ভালোবাসা টি গ্রহণ করবে? উপমা কিছুক্ষণ চুপচাপ নিরব থাকল দিপু ও তোমার দিকে নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় উপমার কোন উত্তর দেয় না বেশ সময় পর উপমা দিপু কে বলে দিপু আমি তোমায় ভালবাসতে পারব না। দিপু এক অশ্রু কান্নায় সিক্ত চোখের দিকে এ যেন তাকিয়ে থাকবার মত অবস্থা ছিলনা তখন ছিল না এক হাসিময় দুঃখ। উপমার এমন উত্তর পেয়ে দিপু উপমা কে বলল উপমা আমি বুঝতে পেরেছি তুমি আমায় আজ ভালোবাসো না কারণটা অজানা কিন্তু আমায় তুমি 100 পারসেন্ট ভালোবাসা থেকে 1 শতাংশ ভালবাসা দিতেই পারো উপমা এটি শুনে তারপর দিপু কে বলে দিপু তুমি বুঝতে শোনা কেন আমার পক্ষে ভালোবাসা সম্ভব না। তারপরও দিপু অনেক আশা নিয়ে উপমার পাশে দাঁড়ায় এই ভেবে একসময় উপমান কাছ থেকে 100 থেকে 1 পার্সেন্ট ভালোবাসা পাবে এই ভেবে আশায় থাকা দিপু উপমার পাশে দাঁড়ায় একজন ভালোবাসার মানুষ হয়ে কিন্তু কখনোই দিপু উপমার কাছ থেকে ভালোবাসা পেত না হোক সেটা 100 বা 1 এইভাবে চলতে থাকে তাদের কথা। উপমা দিপুকে ভালো না  বাসার অনেক কারণ ছিল। উপমার পরিবার এ উপমার মা-বাবা কোন প্রেম ভালোবাসা পছন্দ করতেন না। চাইলেও তার পরিবারের কথা বাইরে যেতে পারত না কারণ উপমার পরিবারের ছোট মেয়ে হবার কারণে মা-বাবা তাকে অনেক ভালবাসত আদর যত্নে রাখত উপমার বাবা মা চাইত উপমা স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করুক তার দেখা স্বপ্ন ইচ্ছে গুলো। এইজন্য উপমায় পড়ালেখায় মন দিয়ে করতে বলতো তবে দিপু পড়ে থাকার উড়ন্ত সকাল বিকেল এর কিছু স্মৃতিময় দিনগুলো সময় আটকে থাকতো না কোন ভাবেই। দিপুর ভাবনায় উপমার কথা চলে আসলে তখন বাস্তবতার সামনে পুরোটা জুড়ে কেবল নিজের পৃথিবী ছিল মাত্র দু এক গভীর ভাবনায় উপমাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে দিপুর শেষ ভাবনায় তার যদি কোন একসময়  বিয়ে হয়ে যায় গেলে এক সময় দিপু কাকে নিয়ে থাকবে তার বাস্তব পৃথিবীটা জুরে উপমা তো অন্য কারো হয়ে চলে যাবে কিন্তু দিপুর এক গল্পের কাব্যকাহিনী মনের এক কানিতে গল্পের মত ঘুর ফের করবে। এটা  ভেবেই  সে উপমার  নামটি দিয়ে দিলো ভালোবাসার উপমা। তবে দিপুর মন এর  অজান্তেই এত সুন্দর একটা নাম দিয়ে ফেলে ছিল সেটা কি একবার কখনো ভেবেছিল দিপু ভাবি নি কারণ দিপু উপমার কথোপকথনে দিপু উপমার  সব ইচ্ছা গুলোকে বুঝবার চেষ্টা করে পাশে দাঁড়ায়  বন্ধুর মতো হয়। তারপর দিপু উপমা পাশে একসময় ভালো বন্ধু থেকে ভালবাসার মানুষ হবার চেষ্টা করে। হঠাৎ একদিন  উপমা দিপুকে  ভালো বন্ধুত্বটাকে নাকচ করে কেন নাকচ করে তার উত্তর দিপু বারবার উপমার কাছ থেকে উত্তর  চাইতে থাকে।উপমা উত্তর দিতে পারে না  দিপু একটু নিরব হলে উপমা দিপুকে তার ভালোবাসার ও  ভালো বন্ধুত্বের  থাকার না থাকার কারন গুলো বলে। একটি পর্যায়ে  মন শূন্য হয়ে উপমাকে সে ভুল বার চেষ্টা করে কিন্তু ভুলতে পারে না পুরনো স্মৃতিগুলো তার মনে পড়ে যায় দিপুর  সেই ফেসবুকের পরিচয়ের দিন গুলো থেকে শুরু করে তাদের কাটানো সব গুলো সময়  আনলাইনের দিপু রাগ করে উপমাকে  বন্ধ করে দিলে তার পর থেকে দিপুর মাথায়   গল্প লেখার চিন্তা ব্যর্থ হয় দিপুর কাজ শেষ  বাসায় এসে আর দশজনের মতোই ক্লান্ত প্রকাশ করে। বাসায় এসে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ভেবে ভেবে উপমা কে নিয়ে একটি গল্প লেখার কথা ভাবে।এই ভেবে প্রায় দুই দিন তার  ভাবনা চিন্তা করতে ঘুমের মধ্যে কেটে যায়। অনেকগুলো বারের মতো এবারও মনে হয়েছিল দিপুর ও লেখালেখির আগের মত আর হয় তো করতে পারবে না কিন্তু পরে দ্বিতীয়বারের মতো কিছু ভাবনার মাধ্যমে সে লেখালেখি শুরু করে। প্রায় দুই বছর আগে দিপু খুব লিখত গল্প কবিতা কিন্তু দুই বছর আগে ছেড়ে দেওয়া গল্প লেখার আইডিয়া টা এখন আর তার শূন্য মস্তিষ্কে আসে না কোথায় থেকে গল্প শুরু করবে শত চেষ্টা করেও সে গল্পের শুরুটা করতে পারেনি এখনো। কিন্তু পরে দিপু একটি ক্ষুদ্র চেষ্টায় 7 দিনে একটি গল্প লিখতে শুরু করলো গল্পটা কোন রকম আলাদা কোন চরিত্র ছিল না থাকলেও তা দিপুর মাথায় সহজে আসতো না পড়ে সে উপমাকে ইঙ্গিত করে একটি গল্প লিখে ফেলল। আর গল্পটির নাম দেয় নাম তার উপমা দিব উপমা দূরত্বে হলেও আজ তাদের গল্প কটি রয়ে যায় হয়তো উপমার কাছ থেকে ছোট আবদার করেছিল কিছু ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কিন্তু এটি সম্ভব ছিল না উপমার পক্ষে কারো জন্য লেখক তানভীর আহমেদ তার বাস্তব জীবনের কিছু কথা আর গল্প কাহিনী নিয়ে এই গল্পটি লেখেন। তিনি একটি মেয়েকে স্থির চোখে দেখতেন যে মেয়েটি তার গল্পের চরিত্রের একটি অংশ ছিল এখন তোমাদের গল্পটি পড়ে বুঝতে হবে এখানে ভালোবাসার শেষ কোথায়। তোমার ভালোবাসাটা বন্ধুত্ব তা ভালভাবে চললেও একটি সময় দিব উপমা থেকে অনেক দূরে চলে যায় উপমা দিপু থেকে অনেক দূরে চলে যায় দুইজন এর দূরত্ব বেড়ে যায় উপমা ব্লক  দিপুকে দিয়ে দেয় কিন্তু পরে রয়  কিছু ছবি আর মেসেজগুলো না বলা কথা। ব আজ আবারো গল্পের বহিঃপ্রকাশ রয়ে গেছে কিছু স্মৃতিময় সময় একটা সময় গল্পের উপমা তার মা বাবার দেয়া স্বপ্নের পথে ছুটতে থাকে উপমা তার স্বপ্ন পূরণের পথে যায় এদিকে দিপু তার স্বপ্নের পথে চলে যায় দুইজন দুইদিকে এর পথে চলে কিন্তু রয়ে যাওয়া উত্তরের অপেক্ষায়  থাকছে আজও দিপু উপমার মুখ থেকে শুধু একটি কথা শোনার জন্য  আজও ভালোবাসি দিপু তোমায।  পরবর্তীতে দিপু উপমা আর কখনো কোথাও অজানায় দেখা হবে কিনা তা লেখক অভিব্যক্তির আজও অপ্রকাশ রয়ে গেছে গল্পের সমাপ্ত এখানেই নয় বন্ধুরা সামনের গল্পের দিকে আরো চলবে পুরো গল্পের কোন চরিত্রের দিপু উপমার স্বপ্নের কথা ও বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন।
... Read More
"I'm sorry for your loss... She was found outside face down in the dirt, Probably working in the fields." Jarold says monotonously
... Read More
Garret: I hope Aisha can make as much progress as you have, Emric. I'd like to see her eyes show emotion someday.
... Read More
"2013, Made in China."
... Read More
The story is very heavy with Yuri that is for sure. MC two mother is Yuri, his sister is Yuri and his servant is not Yuri but definitely gay and lord knows how many more are coming along the way in the story and we are just around 19 chapters.So, you might be asking what about MC jesus he is even worse in the family. If his sister says jump then MC will only ask how high my queen? I think that's the perfect way to describe the MC relationship with his sister.Anyway read it at your own discretion.
... Read More
Just feeding myself the last review needed to have a score.........................................................................................................................................................
... Read More
I am absolutely obsessed with your novel. From the moment I stumbled upon it, I was hooked by the richly detailed world-building, the complex and relatable characters, and the engaging storyline that seamlessly blends elements of fantasy, adventure, and personal growth. What I think truly sets this novel apart, though, is its unique ability to balance action-packed moments with deeper themes and emotional resonance. The author's writing is masterful, with a keen sense of pacing and a talent for crafting characters that feel fully realized and authentic. I've found myself fully invested in the journey of the protagonist, cheering them on as they navigate the challenges and triumphs of their path. With its thought-provoking themes, intricate plot twists, and boundless creativity, "The Path of the Seeker" has become my go-to escape, and I eagerly await each new chapter to see what wonders the author has in store for us next.
... Read More
This story is really good man, keep it up.I will definitely follow each chapter of this incredible work.I'll be waiting for the next one, see you later.Bye.....

Leave a comment

You must be logged in to leave comments. or